শিলাজিৎ হিমালয়সহ উঁচু পাহাড়ি এলাকার পাথরের ফাটল থেকে নিঃসৃত কালচে, আঠালো একটি রেজিন — শত শত বছরের উদ্ভিদ-অবশেষ থেকে তৈরি। আয়ুর্বেদে একে “রসায়ন” বা শক্তিবর্ধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। এতে ফালভিক অ্যাসিডসহ নানা খনিজ উপাদান থাকে।
গবেষণা কী বলে?
কিছু ছোট পরিসরের ক্লিনিক্যাল গবেষণায় বিশুদ্ধকৃত শিলাজিৎ নিয়মিত সেবনে সুস্থ পুরুষদের টেস্টোস্টেরন মাত্রা ও শুক্রাণুর কিছু মানদণ্ডে উন্নতি দেখা গেছে, এবং ক্লান্তি কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। তবে গবেষণাগুলো সংখ্যায় কম ও আকারে ছোট — তাই শিলাজিৎকে অলৌকিক সমাধান ভাবার কারণ নেই। এটি একটি সাপ্লিমেন্ট, ওষুধ নয়।
কীভাবে ও কতটুকু সেবন করবেন
- রেজিন হলে সাধারণত দিনে একবার, মটরদানার সমান পরিমাণ (প্রায় ৩০০-৫০০ মিলিগ্রাম) — তবে প্যাকের নির্দেশনাই অনুসরণ করুন।
- উষ্ণ পানি বা দুধে গলিয়ে, সাধারণত সকালে খাওয়া হয়।
- ফল পেতে কয়েক সপ্তাহ নিয়মিত সেবন প্রয়োজন হয়।
কারা খাবেন না বা আগে পরামর্শ নেবেন
- গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারী
- গেঁটে বাত বা উচ্চ ইউরিক অ্যাসিড আছে যাদের
- শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমার সমস্যা (হিমোক্রোমাটোসিস)
- নিয়মিত ওষুধ সেবনকারী বা দীর্ঘমেয়াদি রোগী — আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন
আসল ও বিশুদ্ধ শিলাজিৎ কেন জরুরি
অপরিশোধিত বা নকল শিলাজিৎ-এ ভারী ধাতু, ছত্রাকজনিত বিষ বা ভেজাল থাকতে পারে। তাই কেনার সময় দেখুন:
- পরিচিত ব্র্যান্ড ও সিল করা প্যাক
- ব্যাচ নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ
- সম্ভব হলে “purified” বা ল্যাব-টেস্টের উল্লেখ
আমাদের সাপ্লিমেন্ট কালেকশনে Himalaya Shilajit Resin ছাড়াও জিনসেং, অশ্বগন্ধা ও টংকাট আলি রয়েছে — প্রতিটি ব্যাচ যাচাই করে পাঠানো হয়।
এই লেখা সাধারণ স্বাস্থ্য-সচেতনতার জন্য, চিকিৎসা পরামর্শ নয়। ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সমস্যায় একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
